বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গেল ৯ সেপ্টেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ইন্টারনেট বন্ধ করায় চট্টগ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের,সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ১১৫ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে সাইবার নিরাপত্তা আইনে ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ সাহেদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ শাহেদ নগরীর হালিশহর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছেন তিনি। ইতি মধ্যে চট্টগ্রামে তরুণ ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ পরিচিত লাভ করেন। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সুলভ মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় করে মানবসেবায় এগিয়ে আসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,গেল ৩ডিসেম্বর রাত ১১.৩০ মিনিটে সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায় কয়েকজন মিলে নূর মোহাম্মদ শাহেদদের তর্ক বির্তক করছেন। এক পর্যায়ে জোর করে ধস্তাধস্তি করে গাড়ি তুলার চেস্টা করে।ভুক্তভোগী সাহেদ গাড়িতে উঠতে না চাইলে,জোর করে ধস্তাধস্তি করে মারতে মারতে তাকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়।কিছুদুর যেতে ছোটপুল জেলা পুলিশ লাইন্সে গাড়িটি স্প্রিড ব্রেকারে স্লো করলে সেখান থেকে কৌশলে গায়ের জোরে নেমে পড়লে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে পাঠায়।
ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদ শাহেদ জানান, গেল ৯ সেপ্টেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ইন্টারনেট বন্ধ করায় চট্টগ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আমি বাদী হয়ে চট্টগ্রামে সাইবার নিরাপত্তা আইন মামলা দায়ের করি। শেখ হাসিনা তৎকালীন সময়ে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করায় আমার উপরে হামলা চালায় তারা। পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকা থেকে শপিং ও খাবার শেষে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে সেখানে তারা আমাকে অপহরণ চেস্টা ও হামলায় চালায়। আমার সাথে যা ঘটেছে তা পরিকল্পিত ভাবে ছিল।ঘটনা স্থলের আশেপাশে আগে থেকে ওতপেতে থাকেহামলাকারীরা, তারা আমাকে জিজ্ঞেসও করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা কেন করলাম।
এবিষয়ে স্থানীয় থানায় মামলা করার পরামর্শ নিলে আমার পরিবার ও আমাকে মাননীয় বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার কথা বলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তাই আমি বাদী হয়ে চট্টগ্রাম আদালতে ৩জন কে প্রধান আসামী ও অজ্ঞাতনামা ৪২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করি। বর্তমানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করায় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী
এডভোকেট আবুল মনসুর সিকদার,এপিপি।তিনি বলেন আমার মক্কেলকে অপহরণ চেস্টা ও হামলার শিকার হন।মামলায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪০/৪২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের হয়।আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
Leave a Reply