শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্টলা পরিবহনের মানিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা  জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুরেশ্বর সংগীত একাডেমীর ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন ‘এবার টার্গেটে সাংবাদিকদের সন্তানেরা’ চট্টগ্রামের মানববন্ধনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম লন্ডনে কানেক্ট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৫৩তম বিজয় দিবস উদযাপন।   দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের শুভেচ্ছা বাকলিয়ায় যুবদল নেতা জাফরের উপর হামলা, তীব্র নিন্দায় প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনে গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে  মহান বিজয় দিবস উদযাপিত সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের কোন দল-মত-ধর্ম নেই: মেয়র ডা. শাহাদাত টাকার বিনিময়ে আসামিদের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ পুলিশ কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে
নোটিশ
চট্টলা মর্নিং নিউজে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

দাম বৃদ্ধি বাজারে নাই সংকট এবার দেশি নারকেলে চাহিদা পূরণ!

মর্নিং প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৮১ জন পড়েছেন

মোহাম্মদ জামশেদুল ইসলাম

শীতশৈতপ্রবহ দেশ ঝুডে, শীতের এমন সময়েই কদর বাড়ে নারকেলের। শীত মানেই নতুন চাল, দুধ, গুড় ও নারকেলের মুখরোচক পিঠা।আগামীমাস হতে না হইতে চলে আসছে রমজান। রমজান মাসজুড়ে চলে পিঠা ছাড়াও নানা মিষ্টান্ন তৈরির খবার, যেকোনো পিঠাজাতীয় খবার তৈরিতে ব্যাবহারিত হয় নারকেল ।এখন শীতের দিন প্রায় গ্রামে সব ঘরে তৈরি হয় নানারকমে পিঠা, সেই সুবাদে নারকেলেরও চাহিদা বেশি, তাই দামও বাড়তি জানিছে পাইকারি বাজার  খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলেছেন,  রমজানের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ পণ্য রয়েছে। ফলে সংকট থাকবে না। কিন্তু নারকেলের দাম ‘বাড়তি’ থাকবে ঈদ পর্যন্ত। এছাড়া এবার এখনো নারকেল আমদানি হয়নি। দেশি নারকেলে পূরণ হচ্ছে চাহিদা। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) খাতুনগঞ্জ ঘুরে জানা গেছে,  প্রতি একশো নারকেল বিক্রি হচ্ছে ৯ /১০হাজার টাকা দরে। সে হিসাবে প্রতিজোড়া নারকেলের পাইকারি দর ১৮০ /২০০টাকা। তবে সেটি হাত ঘুরে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায়। নারকেলের এমন দাম আগামী ঈদ পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এছাড়া নারকেলের সাইজ অনুযায়ী দামও বাড়ে-কমে।পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নারকেল আসে। পরে এগুলো চট্টগ্রাম নগর এবং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য খুচরা বিক্রেতারা নিয়ে যায়। প্রতি একশো নারকেলের পাইকারি দাম ১ থেকে ২ হাজার বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৯/১০ হাজার টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটি নারিকেলের পাইকারি মূল্য ৯০/৯৫/১০০ টাকা। আর সেটি খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। অথচ মাস তিনেক আগেও  পাইকারি বাজারে ছিল প্রতি একশো৭/ ৮ হাজার টাকা আর প্রতিটি৭০/ ৮০ টাকা দরে।খাতুনগঞ্জের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বাজারে নারকেলের একটু সংকট আছে। আর শীতকাল হিসেবে নারকেলের চাহিদাও বেশি। তবে, নারকেল তো আর পেঁয়াজ, ডাল, আদা, রসুন এসবের মতো সচরাচর চলে না। মানুষের যখন প্রয়োজন হয়; তখন কিনে। না হয় নারকেল আড়তেই পড়ে থাকে। যার প্রয়োজন হয়, সে কিনে। এবার নারকেল শুধু লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসছে। দেশের বাইরে থেকে বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে নারকেল এলে দাম একটু কমতে পারে। এছাড়া শীতের মৌসুম থাকায় নারকেলের চাহিদা একটু বেশি।

এমন দাম আগামী ঈদ পর্যন্ত থাকতে পারে। এদিকে, নগরের ঝাউতলা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী শাহ আমানত স্টোরের স্বত্তাধিকারী মো. নুরুল আলম বলেন, ‘আমরা খুচরা পর্যায়ে প্রতিজোড়া নারকেল ২৪০ থেকে ২৬০ বা ২৭০টাকায় বিক্রি করি। শীতকালে নারকেলের চাহিদা থাকে। তবে শীত শেষ হলে নারকেল তেমন একটা বিক্রি হয় না। শীতের সময় এমনিতেও নারকেলের দাম একটু বাড়তি থাকে।’ওই এলাকার আরেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তাদের একশো নারকেল ১১ হাজার টাকা করে কেনা পড়ে। অর্থাৎ প্রতিটি নারকেলের দাম ১১০ টাকা। এসব নারকেল তারা কিনেন পাহাড়তলী বাজার থেকে।অন্যদিকে খাতুনগঞ্জের এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেছেন, তারা একশো নারকেল বিক্রি করেন ৯ হাজার টাকা দরে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা কেন ১১ হাজার টাকা করে কিনছেন সেটা জানি না।এদিকে, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন সময়ের কাগজ কে২৪-কে বলেন, ‘শীতকালে নারকেলের চাহিদা একটু বেশি। তবে এ বছর অন্য দেশ থেকে নারকেল আসেনি। দেশি নারকেল দিয়ে চলছে।’ বাজারে নারকেলের সংকট নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু নারকেল নয়; কোনো পণ্যের সংকট নেই। প্রতিদিনই খাতুনগঞ্জে পণ্য আসছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও খাতুনগঞ্জে এখন ক্রয়-বিক্রায় কম। ক্রেতা নেই বললেই চলে।’তিনি আরও বলেন, ‘সামনে রমজানকে ঘিরে যেসব পণ্য প্রয়োজন; সেসব পণ্য ধীরে ধীরে খাতুনগঞ্জে ঢুকছে। একইসঙ্গে পণ্যের সরবরাহ ঠিক থাকায় দাম কমতে শুরু করেছে। তাই রমজানে কোনো ধরনের সংকট থাকবে না।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
চট্টলা মর্নিং এর সকল স্বত্ব © ২০২৩-২০২৪ সংরক্ষিত
কারিগরি সহযোগিতায় ইনো. আইটি বাজার